বিশ্বের সু-সজ্জিত বিলাসবহুল হোটেলগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি এবং একমাত্র সাত তারকা মানের হোটেল বলা চলে দুবাইয়ের বুর্জ আল আরবকে। সমুদ্রের তীর থেকে ২৮০ মিটার সুমুদ্রের ভেতরে কৃত্রিম একটি দ্বীপের উপর
থ্রি-ডি প্রিন্টার হলেও এটি আকারে একটি বড়সড় ক্রেনের সমান। টেক্সাসের মরুভূমি অঞ্চলে ধাপের পর ধাপ বসিয়ে এই প্রিন্টারটিই একটি হোটেল নির্মাণ করছে। এল কসমিকো নামের হোটেলটি টেক্সাসের মারফা শহরের উপকণ্ঠে
আপনি নিশ্চয়ই ভারতের অনেক বিলাসবহুল এবং সেরা হোটেল (Luxurious Hotels) দেখেছেন, তাদের মনোমুগ্ধকর মন এতই আনন্দদায়ক যে এটি প্রত্যেকের মনকে এক রাতের জন্য থাকতে দেয়। যাইহোক, দেশে একটি নয়, এমন
কক্সবাজার শুধু সমুদ্রের জন্যই বিখ্যাত নয় বরং বাংলাদেশের যে কয়টি উন্নত রিসোর্ট রয়েছে তার অনেক গুলি কক্সবাজারে অবস্থিত, হোটেল নিসর্গ তার মধ্যে অন্যতম। আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা সহ সু-সজ্জিত রিসোর্টে
দেশ হোক কিংবা বিদেশ, কোথাও ঘুরতে গেলে সেখানকার কোন হোটেল বা রিসোর্টে গিয়ে উঠবেন এ খোঁজে থাকেন সবাই। কারণ যারা লাক্সারি ট্রিপে যান, তারা খুব দামি হোটেলে থাকেন। সেক্ষেত্রে ঘোরাঘুরি
সোনায় মোড়ানো হোটেলের নাম শুনেছেন কখনো? সেটি দেখতেই বা কেমন? এমন অনেক প্রশ্নই ঘুরপাক খেতে পারে পাঠকের মনে। তবে এমনটিই ঘটেছে ভিয়েতনামে। সেখানেই তৈরি করা হয়েছে সোনায় মোড়ানো হোটেল। সম্প্রতি
শুধুমাত্র সমুদ্র সৈকতকে কেন্দ্র করেই কক্সবাজারে আসে অসংখ্য পর্যটক। আর এই পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে কক্সবাজার হোটেল, মোটেল সহ রিসোর্ট এবং গেষ্ট হাউস। সবগুলো প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ধারণক্ষমতা মোটামুটি
হোটেল সোনারগাঁও ঢাকা রাজধানীর প্রান কেন্দ্র কারওয়ান বাজার এলাকায় হাতিরঝিল সংলগ্ন ৮ একর জমির ওপর অবস্থিত। ঐতিহাসিক দৃষ্টিনন্দন পাঁচ তারকা মানের এই হোটেলটি দেশের অন্যতম প্রাচীন একটি নিদর্শন। বাংলাদেশ সরকারের মালিকানার
বাংলাদেশের প্রথম আন্তজার্তিক মানের পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা। ১৯৬৬ সালে যাত্রা শুরু এবং ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। মাঝে এটি ঢাকা শেরাটন হোটেল ও রূপসী বাংলা হোটেল নামে কার্যক্রম
২০২৫ সালেই মহাকাশ হোটেল চালু করতে যাচ্ছে আমেরিকান মহাকাশ সংস্থা অরবিটাল অ্যাসেম্বলি করপোরেশন! ফলে খুব দ্রুতই ভিন্ন অভিজ্ঞতা লাভ করতে যাচ্ছে পৃথিবীর মানুষ। মহাশূন্যে অবস্থান করেই পৃথিবীর কোনো পাঁচ তারকা