সদ্যবিদায়ী আগস্ট মাসে দেশে এসেছে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে
মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রকিদের চাকরি দিতে ব্যর্থ নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি শিবকুমার। তিনি বলেন, অনেক নিয়োগকর্তা বেশি কর্মী নিয়ে আসলেও চাকরি দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
মালয়েশিয়ায় ভিসা পেতে চরম অনিশ্চয়তায় দিনাতিপাত করছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আর এ অনিশ্চয়তা দূর করে দ্রুত সমাধানের অনুরোধ জানিয়েছেন, দেশটিতে নিযুক্ত বিদায়ী হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার। বুধবার (৪ অক্টোবর) পুত্রজায়া মালয়েশিয়ার
পর্তুগালে অন্তত ৩৫ হাজার অভিবাসী পাচারকারী এবং অসাধু নিয়োগকর্তাদের শোষণের শিকার বলে ধারণা করা হচ্ছে। কৃষিখাতে অভিবাসীদের শোষিত হওয়ার ঘটনা স্বীকার করে দেশটির এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি একটি উদ্বেগজনক
শ্রমবাজারের চাহিদা মেটাতে অভিবাসীদের জন্য একটি বড় নিয়মিতকরণ কর্মসূচির পরিকল্পনা করছে ইউরোপের দেশ গ্রিস। এতে আনুমানিক ৩ লাখ অভিবাসী বৈধতার সুযোগ পাবেন। এর আওতায় থাকবেন যারা নথিভুক্ত নন বা যাদের
চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি থেকে অনিয়মিতভাবে থাকা বাংলাদেশিদের নিয়মিত হতে আবেদন করার সুযোগ দেয় গ্রিস। ৩০ অক্টোবর শেষ হচ্ছে সেই আবেদনের সময়সীমা। এথেন্সে বাংলাদেশের দূতাবাস রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ
বিদেশে ভালো চাকরির আশায় দেশ ছেড়েছিলেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী মুস্তাফিজুর শাহীন (৫০)। পাড়ি জমিয়েছিলেন প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুতে। তবে শিকদার সুমন নামে এক বাংলাদেশি পাচারকারী শাহীনদের মতো ভুক্তভোগীদের ওই দ্বীপে নিয়ে
মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ বাংলাদেশিসহ ৪০ অভিবাসী। এসময় গ্রেপ্তার এড়াতে নদীতে ঝাপ দিয়ে ও ঝোপঝাড়ে পালিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী দেশ কুয়েত। দেশটির রাস্তাঘাট, দালাল ও অবকাঠামো উন্নয়ন কাজে অন্যান্য দেশের শ্রমিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশের শ্রমিকদের রয়েছে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। সাধারণত বাংলাদেশিরা কোম্পানি ভিসায় কাজ করতে কুয়েতে যান। বাড়তি
ইউরোপের দেশ গ্রিসে শ্রমবাজারে চাহিদা মেটাতে অভিবাসীদের জন্য একটি বড় নিয়মিতকরণ কর্মসূচির পরিকল্পনা করছে। এতে প্রায় তিন লাখ অভিবাসী বৈধতার সুযোগ পাবেন, যারা অনথিভুক্ত বা যাদের বসবাসের অনুমতির মেয়াদ শেষ