1. [email protected] : চলো যাই : cholojaai.net
হুমকির মুখে সেন্টমার্টিন দ্বীপ
রবিবার, ১১ মে ২০২৫, ০৬:১৫ অপরাহ্ন

হুমকির মুখে সেন্টমার্টিন দ্বীপ

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৩

অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ, যথেচ্ছভাবে হোটেল-মোটেল নির্মাণসহ বন উজাড়ে হুমকির মুখে সেন্টমার্টিন দ্বীপ। তাই সেন্টমার্টিন ও এর অদূরে ছেড়া দ্বীপকে বাঁচাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ছেড়া দ্বীপ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর সেন্টমার্টিনে ছয় ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

এ অবস্থায় সরকারি নির্দেশনার কঠোর বাস্তবায়ন চান বিশেষজ্ঞরা। সেই সাথে স্থায়ী স্থাপনা ভেঙে ফেলে পরিবেশ বান্ধব পর্যটনের পরামর্শ তাদের।

সুনীল জলরাশি, সৈকত জুড়ে সারি সারি কেয়া বাগান, ঝাউ, নারকেলের বাগান সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। শৈবাল, নুড়ি, পাথর, ঝিনুক আর প্রবালের ছড়াছড়ি। এমন দ্বীপের নাম সেন্টমার্টিন।

৬৮টি প্রজাতির প্রবাল, ১৫১ প্রজাতির শৈবাল, ১৯১ প্রজাতির মোলাস্ক বা কড়ি জাতীয় প্রাণী, ৪০ প্রজাতির কাঁকড়া, ২৩৪ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, চার প্রজাতির উভচর, ২৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১২০ প্রজাতির পাখি, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর বাস সেন্টমার্টিনে। এই দ্বীপে উদ্ভিদ আছে ১৭৫ প্রজাতির।

পর্যটকের চাপসহ নানা কারণে এখন হুমকির মুখে নৈসর্গিক দ্বীপটি।

৮.৩ বর্গ কিলোমিটারের দ্বীপটিতে স্থায়ী বাসিন্দা প্রায় ৯ হাজার। এছাড়া এখানে প্রতিদিন গড়ে ৯ হাজার পর্যটক অবস্থান করে। দিনের পর দিন অত্যাচারে হুমকির পুখে দ্বীপের পরিবেশ-প্রতিবেশ।

তাই দ্বীপ রক্ষায় এবার নড়ে চড়ে বসেছে সরকার। ছেড়া দ্বীপ ভ্রমণ নিষিদ্ধ, সেন্টমার্টিনে যান্ত্রিক যানবাহন, আগুন জ্বালানো, উচ্চস্বরে গান বাজনা বন্ধ, প্লাস্টিক দুষণ বন্ধসহ ৬ দফা নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

তবে নির্দেশনার বাস্তবায়ন দেখতে চান পরিবেশবিদরা।

পরিবেশবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণের যে সিদ্ধান্ত বারংবার নেয়া হয়েছে এখন তো প্রকল্প নেওয়া উচিত। শুধুমাত্র ধীরগতি এবং কিছুটা বর্তমানে লোভের কাছে আমরা পরাজিত। যেদিন শেষ হয়ে যাবে, যেদিন হারিয়ে যাবে আমাদের সুন্দরবন ম্যানগ্রোভের মতো সেদিন আমরা আফসোস করতে পারবো কিন্তু এটি ফেরত আসবে না।

কোরাল দ্বীপটি বাঁচাতে রাত্রিযাপনও নিষিদ্ধ করারও পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, প্রয়োজনে রাত্রি যাপনের জন্য আমরা গাইড লাইন তৈরি করতে পারি। এখানে অতিরিক্ত অবকাঠামো তৈরি হোক এটা আমরা চাই না। একটা মানুষ যেহেতু দ্বীপে যাবে, দ্বীপের পরিবেশটা উপভোগ করবে সেখানে ফাইভস্টার হোটেল থাকতে হবে তা কিন্তু নয়।

পরিবেশবিদরা বলছেন, এখনই সতর্ক না হলে দ্বীপটিকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

ভ্রমন সম্পর্কিত সকল নিউজ এবং সব ধরনের তথ্য সবার আগে পেতে, আমাদের সাথে থাকুন এবং আমাদেরকে ফলো করে রাখুন।

© All rights reserved © 2020 cholojaai.net
Developed By ThemesBazar.Com