যারা বিবাহিত জীবনের অনুভূতির পুরো ঝড় অনুভব করতে চান তাদের জন্য ইতালি একটি আদর্শ বিকল্প, কারণ এই দেশটি কবিতা, সঙ্গীত এবং নাট্য নাটকে শতাব্দী ধরে প্রশংসিত হয়েছে তা কিছুই নয়।
সমুদ্রতীরের ছিমছাম শহর পাতায়া ব্যাংকক থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরে। মূলত রাতের অাঁধারে জেগে ওঠা যে কয়টি শহর রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম এটি। এশিয়ার অন্যতম হানিমুন স্পট পাতায়া। রাতের গভীরতা
শীত মানেই উৎসবের মৌসুম। আরামদায়ক আবহাওয়ার কারণে এ সময় বিয়েরও ধূম পড়ে যায়। যারা এ শীতে বিয়ে করছেন কিন্তু এখনও মধুচন্দ্রিমার স্থান নির্বাচন করতে পারেননি, তারা একান্তে সময় কাটানোর জন্য
বেরিয়ে পড়ুন ভেনিসে, আপনার রোম্যাণ্টিক গণ্ডোলা-যাত্রায়, সাকার করে নিন সুইজারল্যাণ্ডে রাজ-সিমরনের স্বপ্ন, লণ্ডন আই-এ আপনার প্রাইভেট ক্যাপসুলে দাঁড়িয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হোন লণ্ডন স্কাইলাইনের, অথবা সিঁড়ি বেয়ে নেমে যান প্রাগ-এর কোন
হানিমুনের জন্য যেতে পারেন থাইল্যান্ডের কো সামুই দ্বীপে। থাইল্যান্ডের কো-সামুই দ্বীপ পর্যটকদের খুবই প্রিয় জায়গা। ব্যাঙ্কক থেকে ৭০০ কিমি। থাইল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ কো-সামুই। এই দ্বীপের চাওয়েং ওলামই সমুদ্র সৈকত
লকডাউনে খরচা বাঁচিয়ে বিয়েটা যখন সেরে ফেলেছেন তখন আর ‘চাঁদ দেখা’টাই বা বাকি থাকে কেন! তা এই চাঁদ দেখার মানে যে মধুচন্দ্রিমা তা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। হানিমুনের কথা কিছু ভেবেছেন
বিয়ের আগেই অনেকে নির্ধারণ করেন মধুচন্দ্রিমায় যাওয়ার স্থান। অনেকে যান প্যারিসে, কেউ বা রোমে আবার কেউ প্রেমের নজিরের স্থাপনা তাজমহল দর্শনে। ইন্দোলনেশিয়ার বালি দ্বীপও থাকে তালিকায়। ইউরোপ, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকার
ভ্রমণ (Travel) করতে কে না ভালোবাসে! আর সেক্ষেত্রে যদি একজন সঙ্গী থাকে তাহলে তো তা সোনায় সোহাগা। বিশেষ করে নিজের জীবনসঙ্গীর সাথে ঘুরতে যাওয়ার রোমাঞ্চই আলাদা। আর ইদানিং একটু নির্জন
বিয়ে মানে সারা জীবনের বন্ধন। একসঙ্গে ভ্রমণও বটে। এই ভ্রমণের শুরুটা হয় মধুচন্দ্রিমা থেকে। বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে দুজনে একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে মধুচন্দ্রিমায় যায়। তারপর একে অন্যকে চিনতে
যারা বিবাহিত জীবনের অনুভূতির পুরো ঝড় অনুভব করতে চান তাদের জন্য ইতালি একটি আদর্শ বিকল্প, কারণ এই দেশটি কবিতা, সঙ্গীত এবং নাট্য নাটকে শতাব্দী ধরে প্রশংসিত হয়েছে তা কিছুই নয়।