আমার আশৈশব আরাধ্য পবিত্র তীর্থস্থান ছেড়ে কেন আমি অন্য কোথাও যাব, যতই তার স্হাপত্য-ভাস্কর্য এবং ঐতিহাসিক ঐতিহ্য বা মাহাত্ম কি়ংবা প্রসিদ্ধি থাকুক না কেন-এ প্রশ্ন আমাকে মাঝে মাঝে পীড়িত করতো।
বিকেল হলেই এক মায়াবী আলো ছড়িয়ে পড়ে সোনালি বালুর সৈকতে। সামনে নীল ভারত মহাসাগর। দূরে দূরে কালো পাহাড়। সূর্য অস্ত যাওয়ার পরও বেশ কিছুক্ষণ আকাশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকে রঙের আঁচড়।
হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত হলো দল বেঁধে স্নোডনিয়ায় যাব। যেই ভাবা, সেই কাজ। হাফটার্ম স্কুল হলিডে থাকায়, তড়িঘড়ি করে হোটেল বুকিং দিয়ে পরদিনই যাত্রা শুরু করলাম ওয়েলসের পথে। ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নর্দার্ন
সুবিশাল ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারের তৃতীয় তলায় জাপানি ওষুধ কোম্পানি দাইচির স্টলে একটা লিফলেট উল্টেপাল্টে দেখছিলাম। নিজের নাম শুনে পেছনে ফিরে দেখি, সু হাসিমুখে তাকিয়ে আছে। জুতা জোড়া ঢেকে দেওয়া ঢোলা
যতই বিশ্বকাপে হারুক ব্রাজ়িল, ফুটবল মানেই যে ব্রাজ়িল, ফুটবলের শিল্প মানেই যে সে দেশ, তা দেখে এলাম কিছুদিন আগে রিও-তে গিয়ে। বিকেলের রিও-র কোপাকাবানা বেলাভূমি দেখলে মনে হবে, এ বুঝি ফুটবল, ভলিবলের অনুশীলনের মাঠ। সমুদ্রের
ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় শহরে পৌঁছে পর দিন সকালেই বেরিয়ে পড়লাম শহর থেকে ১৬৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ‘হা লং বে’ বা হা লং উপসাগরের পথে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নিরিখে যে অঞ্চলটির খ্যাতি
তৃতীয় বিশ্বের ছোট্ট একটি দেশে আমার জন্ম। নিজের দেশটি ছাড়া চোখ মেলে এই দুনিয়াটা যদি না দেখি তাহলে কিছুই হয়ত জানা হবে না, অনেক কিছুই শেখা হবে না। যতদিন বেঁচে
রাত ১১টায় মিয়োর্কার পালমা এয়ারপোর্টে নামতেই ভূমধ্যসাগরের উষ্ণ আবহাওয়া আমাদের স্বাগত জানাল। সারি সারি পামট্রিতে সাজানো খুবই সুন্দর; কিন্তু ব্যস্ত এক এয়ারপোর্ট। আর ব্যস্ত হবে না কেন, প্রতিবছর দেড় কোটি
প্যারাডাইস বিচ থেকে চোখজুড়ানো সবুজ-নীল জল। আমাদের বেড়ানোর দলে ছিল আট জন। আমার স্ত্রী শ্রেয়া ও ছেলে যশোজিৎ, আর এক বন্ধু ও তার স্ত্রী-সন্তান, এবং আরও দু’জন বন্ধু। বেড়ানোর জন্য
ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক সিটির কেন্দ্রীয় দ্বীপ এবং বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে ব্যস্ত ও বিখ্যাত অঞ্চলগুলির মধ্যে অন্যতম। ম্যানহাটনের ইতিহাস, জীবনযাত্রা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং পর্যটকদের জন্য অসংখ্য আকর্ষণীয় স্থান এই দ্বীপটিকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে