ব্রিটিশদের কাছ থেকে চিনের আওতায় চলে যাওয়া ক্ষুদ্র অথচ অত্যন্ত উন্নত এই দেশটি এশিয়াকে পৃথিবীর বুকে সুপরিচিত করতে অন্যতম একটি রাষ্ট হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধিনে থাকার কারণে তাদের
ভূমধ্যসাগরের মধ্যে ছোট্ট একটি দ্বীপ সাইফ্রাস। দেশটির সরকারি নাম রিপাবলিক অব সাইফ্রাস। সাইফ্রাস দুই ভাগে বিভক্ত। একটি তুকিং সাইফ্রাস এবং অপরটি গ্রিক সাইফ্রাস। দেশটির আয়তন ৯ হাজার ২৫১ কিঃ মিঃ।
মালদ্বীপের সরকারী নাম ‘রিপাবলিক অফ মালদ্বীপ’। এটি দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপদেশ। দেশটি শ্রীলঙ্কা এবং ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত এবং এশিয়া মহাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার।
ফিজি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপ। প্রকৃতগতভাবে ফিজি সাগরের মধ্যে সুন্দর একটি দ্বীপ এবং পৃথিবীর ১৫টি দ্বীপের মধ্যে অন্যতম একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। প্রতি বছর এই দ্বীপটিতে লক্ষ লক্ষ বিদেশি
খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ সালের স্যাং যুগে গঠিত হওয়া চীন এশিয়ার প্রাচীন দেশ গুলোর মধ্যে একটি। পরিবেশগত দিক থেকেও চীনের প্রকৃতি প্রাচীন ধাঁচের। আর বৈচিত্র্যের দিক থেকে এশিয়াতে চীনের অবস্থান হবে প্রথম
বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর দেশ বাছাইয়ের জন্য ভোটের ব্যবস্থা করেছিল আন্তর্জাতিক ভ্রমণ পত্রিকা রাফ গাইড। কোন দেশ ভ্রমণ করতে পর্যটকরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন সেটার উপর নির্ভর করে তারা প্রকাশ করেছে
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হলো মোনাকো। মোনাকো একটি স্বাধীন দেশ, এ নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। আমি বলবো, এটি একটি স্বাধীন স্টেট। কারণ মোনাকো স্বাধীন দেশ হিসেবে ১৯৯৩ সালের ২৮ মে জাতিসংঘের
দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটন বান্ধব পরিবেশের জন্য থাইল্যান্ড এশিয়ার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। থাইল্যান্ডের অসংখ্য দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে পর্যটকদের সবেচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে পাতায়া সমুদ্র সৈকত। এই সৈকতের সাদা নরম
ইতিহাসের পাতা ওলটপালট করলে যে শহরটি নাম সবচেয়ে মনে দাগ কাটে আমার, সেটাঅবশ্যই বার্লিন। সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীজ এই শহরেই রোপণ করা হয়েছিল ১৯৪২-এ এবং এই শহরকে দু’ভাগে দ্বিখন্ডিত হতে
তুরস্ক/তুর্কী: তুর্কী উন্নয়নশিল দেশ সমুহের অন্যতম। কিন্তু দেশটির ভিতরে খরচাপাতি এখনো পুরাতন যুগেরই রয়েগেছে। কাজেই পুরাতন খরচে নতুনের স্বাদ নিতে ভ্রমণ বিলাসীদের নিকট তুর্কী হলো ২০১৩ সালের সবচেয়ে পছন্দের দেশ।