তৃতীয় বিশ্বের ছোট্ট একটি দেশে আমার জন্ম। নিজের দেশটি ছাড়া চোখ মেলে এই দুনিয়াটা যদি না দেখি তাহলে কিছুই হয়ত জানা হবে না, অনেক কিছুই শেখা হবে না। যতদিন বেঁচে
জাপান এমন এক দেশ যেখানে কাজকে ধর্ম বলে মানা হয়, বর্তমান বিশ্বের ইলেকট্রনিক জিনিস বিপ্লবের ও উন্নত প্রযুক্তির বিস্তারে জাপানের গবেষনা ও ভূমিকা অগ্রগামী। তবে জাপানের আরো কিছু পরিচিতি রয়েছে
ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনালের টপ ১০০ সিটি ডেস্টিনেশন ইনডেক্স ২০২২ অনুসারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক শহর ‘দুবাই’ হল পর্যটনের জন্য বিশ্বের দ্বিতীয় সবচেয়ে আকর্ষণীয় শহর। এ তালিকা তৈরির জন্য ছয়টি মূল বিষয়ের
পরিষ্কার নীল ও সবুজ নির্মল পরিবেশের এই দেশকে সমুদ্রের রানী বলা হয়। মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটন সমৃদ্ধ ছোট সুন্দর সামুদ্রিক দেশ মালদ্বীপে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ ভ্রমণ প্রিয় মানুষ এসে থাকে
অস্ট্রেলিয়া এবং ভৌগোলিক অঞ্চল ওশেনিয়ার মধ্যে সবচেয়ে জনবহুল শহর সিডনির ব্যাপারে। তবে স্পেশাল ব্যাপারটা হলো যারা মাছ খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য। বিশ্বের তৃতীয় সব থেকে বড় মাছ বাজার রয়েছে সিডনিতে।
দুই হাজার চৌদ্দ সালের এক জরিপে এসেছিল, পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশের নাম ফিজি। এত ছোট এক দ্বীপরাষ্ট্র। কিন্তু বেশ ধনী ওই দেশ। জনপ্রতি জিডিপি দশ হাজার ডলার। ফিজিয়ান ডলারের মানও
ইতালির ঐতিহাসিক নগরী ভেনিস। পানির ওপর ভেসে থাকা দৃষ্টিনন্দন প্রাসাদ, তার গা ঘেঁষে একে-বেঁকে বয়ে চলা স্বচ্ছ লেকের জন্য এর খ্যাতি ভুবনজোড়া। ভেনিসের মতো নান্দনিক শহর পৃথিবীতে খুব কমই আছে।
বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে ফিনল্যান্ড বেশ পরিচিত। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৪’। এ তালিকায় টানা ৭ বছর শীর্ষে আছে ফিনল্যান্ড। এছাড়া এই তালিকায় শীর্ষ ১০ তালিকায় আছে
Dubai এই Arab শহর টি আপনি হলিউড, বলিউড, টলিউড, বিভিন্ন সিনেমায় দেখেছেন এই দুবাই এর ধুমকেতুর মতো উত্থানে চমকিত গোটা বিশ্ব। ১৯৬০ সালের আগে দুবাইতে কিছুই ছিলোনা। ১৯৬০ সালে এখানে
টানা সপ্তমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে নাম উঠে এসেছে ফিনল্যান্ডের। তবে গতবারের মতো এ বছরও সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান পিছিয়েছে। আর তালিকায় একেবারে তলানিতে রয়েছে আফগানিস্তান। বিশ্বের