শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে আসছে স্টারলিংক: কবে আসবে, কীভাবে ব্যবহার করবেন

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫

সম্প্রতি বাংলাদেশে স্টারলিংক প্রকল্পের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামী ৯ এপ্রিল বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করবে স্টারলিংক। মার্কিন প্রযুক্তিবিদ ও উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স পরিচালিত এ প্রকল্পের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একাধিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এ সেবা চালু হলে বাংলাদেশের প্রান্তিক অঞ্চলগুলোতে সহজলভ্য হবে দ্রুতগতির ইন্টারনেট। কিন্তু এই স্টারলিংক আসলে কী, কীভাবে কাজ করে, আমাদের কী করতে হবে? এসব প্রশ্নের জবাব নিয়েই এই লেখা। অর্থাৎ আজ আমরা স্টারলিংক ইন্টারনেটের সার্বিক চিত্রটি বোঝার চেষ্টা করব। তার আগে ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে, তা সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক। তাহলে বোঝা যাবে, স্টারলিংকের ইন্টারনেটকে বিশেষভাবে ‘স্যাটেলাইট ইন্টারনেট’ বলা হচ্ছে কেন।

ইন্টারনেট কী, সে ব্যাপারে একটা সাধারণ ধারণা প্রায় সবারই আছে। এই প্রযুক্তিজালে পৃথিবীর নানা প্রান্তের ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন দেশের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদানের জন্য এ সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে ফাইবার অপটিক কেব্‌লের মাধ্যমে, সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে। সূক্ষ্ম কাচের নল দিয়ে তৈরি এ কেব্‌লের মধ্যে তথ্য আলোক তরঙ্গ হিসেবে চলাচল করে।

পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে রয়েছে কয়েক হাজার স্টারলিংক স্যাটেলাইট
পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে রয়েছে কয়েক হাজার স্টারলিংক স্যাটেলাইট

অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক ইউনিট (ONU) নামে একধরনের ডিভাইসের মাধ্যমে এই আলোক তরঙ্গ রাউটারে ব্যবহারোপযোগী সংকেতে রূপান্তর করা হয়। এরপর তারের মাধ্যমে আমাদের বাসা বা অফিসের রাউটার যুক্ত হয় ইন্টারনেটের সঙ্গে। রাউটারের মাধ্যমে তার ছাড়াই বিভিন্ন ডিভাইস ইন্টারনেটে যুক্ত হতে পারে।

ইন্টারনেট অবকাঠামোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ডেটা সেন্টার। ইন্টারনেটের প্রায় সব তথ্য এসব ডেটা সেন্টারে সংরক্ষিত থাকে। বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পৃথিবীর নানা প্রান্তে ডেটা সেন্টার তৈরি করে রেখেছে। ইন্টারনেটে কোনো তথ্য খুঁজলে এসব ডেটা সেন্টার থেকে সার্ভার কম্পিউটারের মাধ্যমে সেটি  তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে চলে যায়।

স্টারলিংক চালু হলে যাঁরা মানসম্পন্ন ইন্টারনেট চান, তাঁদের জন্য বিকল্প সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন।

প্রচলিত এ ইন্টারনেট ব্যবস্থায় যেমন তারের ব্যবহার প্রচুর, তেমনি সরকারি নিয়ন্ত্রণও অনেক বেশি। দুর্গম অঞ্চলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছানো বেশ কঠিন কাজ। খরচও বেড়ে যায় বহু গুণে। আর ঠিক এ কারণেই মরুভূমি বা সমুদ্রের মতো অঞ্চলে প্রচলিত ব্রডব্যান্ড বা মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না।

এসব সমস্যা সমাধানে দারুণ এক সমাধান স্যাটেলাইট ইন্টারনেট। ভূপৃষ্ঠে থাকা গ্রাউন্ড স্টেশন, পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকা স্যাটেলাইট ও রিসিভার অ্যান্টেনার মাধ্যমে স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পৃথিবীর কক্ষপথে থাকায় স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যেকোনো দুর্গম স্থানে সংকেত পাঠানো যায়। তাই যেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছাতে পারে না, সেখানেও সহজে পাওয়া যায় স্যাটেলাইট ইন্টারনেট।

এ প্রযুক্তিতে সফলভাবে বর্তমানে পৃথিবীর ১০০টিরও বেশি দেশে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে স্টারলিংক। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার ওপরে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে ঘুরছে প্রতিষ্ঠানটির হাজারো স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ। প্রায় ৭ হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ জালের মতো ঘিরে রেখেছে পৃথিবীকে। তবে এখানেই থামছে না স্টারলিংক। প্রথম ধাপে মোট ১২ হাজার উপগ্রহ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

স্টারলিংক ইন্টারনেটের পুরো প্রক্রিয়ায় তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাউন্ড স্টেশন, স্যাটেলাইট ও রিসিভার অ্যান্টেনা।

পৃথিবীতে অবস্থিত গ্রাউন্ডে স্টেশনের মাধ্যমে এর স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকে মূল ইন্টারনেটের সঙ্গে। স্যাটেলাইট থেকে সংকেত গ্রহণ করে তা ফাইবার অপটিকস কেব্‌লের মাধ্যমে যুক্ত ডেটা সেন্টারে পাঠিয়ে দেয়। আবার ডেটা সেন্টারের সার্ভার থেকে থেকে ডেটা এনে তা স্যাটেলাইটে পাঠায়।

স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অ্যান্টেনা
স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অ্যান্টেনাছবি: স্টারলিংক

এসব স্যাটেলাইট পৃথিবীর গ্রাউন্ড স্টেশন ও অ্যান্টেনার সঙ্গে যেমন যোগাযোগ রাখে, তেমনি নিজেদের মধ্যেও সার্বক্ষণিক সংকেত আদান প্রদান করে। এভাবে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত তথ্য হাজির করে।

ধরা যাক, আপনি স্টারলিংকের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। নেটফ্লিক্সে কোনো মুভি দেখার জন্য ঢুকলেন। মুভির ভিডিও ফাইলটি নেটফ্লিক্সের সার্ভারে রাখা। মুভি দেখার জন্য প্রতিমুহূর্তে ওই সার্ভার বা ডেটা সেন্টার থেকে থেকে ডেটা আসতে হবে আপনার ডিভাইসে। সার্ভার যদি পৃথিবীর আরেক প্রান্তে হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবে ডেটা আসতে কিছুটা বেশি সময় লাগবে। কতটা সময় লাগছে, তাকে বলা হয় ল্যাটেন্সি। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ল্যাটেন্সি কিছুটা বাড়বে। আরও সহজ  করে বললে, ডেটার গতি কমে যাবে। কিন্তু সার্ভার যদি আপনার আশেপাশেই থাকে তাহলে ল্যাটেন্সি কম হবে, বাড়বে গতি। এ কথা চিন্তা করে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ডেটা সেন্টার বানিয়েছে।

স্টারলিংক ইন্টারনেটে যুক্ত গ্রাহক কোন তথ্যটি চাচ্ছেন, এবং সেটি গ্রাহকের চেয়ে সর্বনিম্ন কত দূরের সার্ভারে আছে, তা হিসেব করে দেখে স্যাটেলাইট। গ্রাহকের কাছ থেকে স্যাটেলাইটে সংকেত যায় গ্রাহক অ্যান্টেনার মাধ্যমে। স্যাটেলাইট সবচেয়ে কাছের সার্ভার খুঁজে বের করে সেটার কাছাকাছি থাকা গ্রাউন্ড স্টেশনে পাঠিয়ে দেয়। এরপর গ্রাউন্ড স্টেশন দ্রুত সার্ভার থেকে ডেটা সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দেয় স্যাটেলাইটে। তারপর স্যাটেলাইট থেকে আসে গ্রাহকের অ্যান্টেনায়। এভাবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে স্টারলিংকের ইন্টারনেট। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এতে ডাউনলোড স্পিড পাওয়া যাবে ২৫ থেকে ২২০ এমবিপিএস। তবে গড়পড়তা এটি ১০০ এমবিপিএসের আশেপাশে থাকবে।

ইন্টারনেট অবকাঠামোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ডেটা সেন্টার। ইন্টারনেটের প্রায় সব তথ্য এসব ডেটা সেন্টারে সংরক্ষিত থাকে। বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পৃথিবীর নানা প্রান্তে ডেটা সেন্টার তৈরি করে রেখেছে।

বাংলাদেশে স্টারলিংক ইন্টারনেটের গতি যাচাই করে দেখেছে ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা ও বিশ্লেষণকারী যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ওকলা’। গত জানুয়ারিতে করা সেই পরীক্ষায় মোবাইল ইন্টারনেটের গড় গতি পাওয়া গেছে ৪০ এমবিপিএসের কিছু কম। আপলোডের গতি ছিল প্রায় ১৩ এমবপিএস। অন্যদিকে ব্রডব্যান্ড বা রাউটারের মাধ্যমে যুক্ত স্টারলিংক ইন্টারনেটে ডাউনলোড ও আপলোডের গতি ছিল যথাক্রমে ৫১ ও ৪৯ এমবিপিএস।

যাই হোক, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আরেকটি যে অংশ গ্রাহকের কাছে থাকে, সেটি রিসিভার অ্যান্টেনা। স্টারলিংকের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহারোপযোগী করে রিসিভ করার জন্য গ্রাহকের বাড়ি বা অফিসের ছাদে খোলা স্থানে এটি বসাতে হয়। চৌকো ডিশ আকৃতির এ অ্যান্টেনা সরাসরি খোলা আকাশের দিকে তাক করে রাখলে স্যাটেলাইট থেকে আসা সংকেত সহজেই রিসিভ করতে পারে। অ্যান্টেনাটির সঙ্গে রাউটার যুক্ত থাকে। এখান থেকে যেকোনো ডিভাইস ইন্টারনেটে যুক্ত করা যায়।

স্টারলিংকের স্যাটেলাইটগুলো পৃথিবীর চারপাশে ছড়িয়ে থাকায়, যেকোনো জায়গা থেকে এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা সম্ভব। পাহাড়ি এলাকা, মরুভূমি বা সমুদ্রের মতো সচরাচর নেটওয়ার্কবিহীন দুর্গম জায়গার জন্য এটি আশির্বাদের মতো। এ ছাড়া দুর্যোগ কবলিত এলাকায় সব অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এ ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে।

ইলন মাস্ক
ইলন মাস্কফাইল ছবি: রয়টার্স

এ প্রযুক্তির আরেকটি বড় সুবিধা হলো, এতে গোপনীয়তা রক্ষা করে যোগাযোগ করা যায়। প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  স্টারলিংক যদি আড়িপাতার সুযোগ না দিয়ে বাংলাদেশে সেবা দেয়, তাহলে অনেকেই প্রতিষ্ঠানটির ইন্টারনেট ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারেন।

সাম্প্রতিক সময়ে স্টারলিংক সরাসরি মোবাইল ইন্টারনেটের সুবিধাও চালু করেছে। অর্থাৎ রাউটার ছাড়া সরাসরি মোবাইল অ্যাপে সাবস্ক্রিপশন করে ব্যবহার করা যাবে স্টারলিংকের এ নেটওয়ার্ক।

স্টারলিংক ইন্টারনেটের এসব সুবিধা পেতে অবশ্য কিছুটা চড়া মূল্যই পরিশোধ করতে হবে গ্রাহককে। স্টারলিংকের অ্যান্টেনা স্থাপনের জন্য গ্রাহকের প্রয়োজন হবে স্টারলিংক কিট। এটি মূলত অ্যান্টেনা, কিক স্ট্যান্ড, রাউটার, তার ও পাওয়ার সাপ্লাই সিস্টেমের সমষ্টি। বর্তমানে এর বাজার মূল্য প্রায় ৩৪৯ থেকে ৫৯৯ মার্কিন ডলার। টাকার হিসেবে প্রায় ৪৩ থেকে ৭৪ হাজার টাকা। এটি এককালীন খরচ। স্টারলিংক ইন্টারনেট নিতে চাইলে শুরুতে এ খরচ করতে হবে। এরপর প্রতি মাসে স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সর্বনিম্ন ১২০ মার্কিন ডলার (প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার টাকা)  খরচ করতে হবে। প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, কর্পোরেট গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংক কিটের দাম ও সাবস্ক্রিপশন ফি দ্বিগুণেরও বেশি। এ ছাড়া দেশভেদে দামের ভিন্নতাও রয়েছে।

খরচ হিসেব করলে এর চেয়ে মাসিক প্রায় ২৮ ভাগ কম দামে দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা নেওয়া যায়। অঞ্চল ভেদে প্রথম দিকে ব্রডব্যান্ড সংযোগ নিতে রাউটার ও অপটিক্যাল নেওয়ার্ক ইউনিটসহ (ONU) এককালীন খরচ হয় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা।

স্টারলিংক ইন্টারনেটে যুক্ত গ্রাহক কোন তথ্যটি চাচ্ছেন, এবং সেটি গ্রাহকের চেয়ে সর্বনিম্ন কত দূরের সার্ভারে আছে, তা হিসেব করে দেখে স্যাটেলাইট। গ্রাহকের কাছ থেকে স্যাটেলাইটে সংকেত যায় গ্রাহক অ্যান্টেনার মাধ্যমে।

তাই স্টারলিংকের ইন্টারনেট সাধারণ মানুষের কাছে হয়তো খুব একটা সাড়া ফেলবে না। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে, যেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সুবিধা নেই অথবা মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল, সেসব স্থানে বাড়তে পারে এর চাহিদা।

এ ছাড়া দেশের অনেক অঞ্চলে ইন্টারনেটের মান ও গতি নিয়ে সমস্যা রয়েছে। স্টারলিংক চালু হলে যাঁরা মানসম্পন্ন ইন্টারনেট চান, তাঁদের জন্য বিকল্প সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন।

বর্তমানে স্টারলিংক ছাড়াও আরও কিছু প্রতিষ্ঠান স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে
বর্তমানে স্টারলিংক ছাড়াও আরও কিছু প্রতিষ্ঠান স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছেছবি: রয়টার্স

বর্তমানে স্টারলিংক ছাড়াও আরও কিছু প্রতিষ্ঠান স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। এর মধ্যে ওয়ানওয়েব, হিউজ নেটওয়ার্কস এবং ভায়াস্যাট অন্যতম। আগামী দিনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা দিতে মার্কিন আরেক ধনকুবের জেফ বেজোসের প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনও বসে নাই। তাদের প্রজেক্ট কুইপারের কাজ চলমান আছে।

নানাবিধ সুবিধা ও রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ না থাকায় মানুষ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারে অভ্যস্ত হচ্ছে। ভবিষ্যতের ইন্টারনেট পুরোপুরি স্যাটেলাইটভিত্তিক হয়ে গেলেও তাই অবাক হওয়ার কিছু নেই।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

ভ্রমন সম্পর্কিত সকল নিউজ এবং সব ধরনের তথ্য সবার আগে পেতে, আমাদের সাথে থাকুন এবং আমাদেরকে ফলো করে রাখুন।

© All rights reserved © 2020 cholojaai.net
Theme Customized By ThemesBazar.Com