ম্যারিয়ট হোটেল গ্রুপ পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এবং অভিজাত হোটেল চেইন। এই হোটেলের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯২৭ সালে। জন উইলার্ড ম্যারিয়ট এবং তাঁর স্ত্রী এলিস শীঘ্রই বুঝতে পারেন যে মানসম্পন্ন সেবা
জাপানের ইয়ামানাশি জেলার দুর্গম পর্বতের গভীরে দেখা পাবেন নিশিয়ামা ওনসেন কিওনকান নামের এক হোটেলের। এখানকার জাপানের ঐতিহ্যবাহী তাতামি বিছানো মেঝে, কিমোনো পড়া হাসিখুশি কর্মচারী এবং দেয়ালে শোভা যাওয়া হাতে লেখা
থ্রি-ডি প্রিন্টার হলেও এটি আকারে একটি বড়সড় ক্রেনের সমান। টেক্সাসের মরুভূমি অঞ্চলে ধাপের পর ধাপ বসিয়ে এই প্রিন্টারটিই একটি হোটেল নির্মাণ করছে। এল কসমিকো নামের হোটেলটি টেক্সাসের মারফা শহরের উপকণ্ঠে
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে নির্মিত একটি হোটেল মহাকাশে অবকাশ কাটানোর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে যাচ্ছে। আর হোটেলটি বানানো হচ্ছে ২০২৭ সালের মধ্যেই। ভয়েজার স্টেশন নামে এই হোটেলটিতে ২৪ টি মডিউল থাকবে
ঢাকার প্রথম সারির তারকা হোটেলগুলোর একটি হচ্ছে রেডিসন হোটেল। ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশন সংলগ্ন এই হোটেল ভবনের স্থাপত্যশৈলী যে কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। ঠিকানা ও অবস্থান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু হোটেল তৈরি হচ্ছে দুবাইয়ে। হোটেলটির নাম রাখা হয়েছে সিইল। ৮২ তলাবিশিষ্ট এই হোটেলটির উচ্চতা হবে ৩৬৫ মিটার বা ১ হাজার ১৯৭ দশমিক ৫ ফুট। আগামী ২০২৪ সালের
সোনায় মোড়ানো হোটেলের নাম শুনেছেন কখনো? সেটি দেখতেই বা কেমন? এমন অনেক প্রশ্নই ঘুরপাক খেতে পারে পাঠকের মনে। তবে এমনটিই ঘটেছে ভিয়েতনামে। সেখানেই তৈরি করা হয়েছে সোনায় মোড়ানো হোটেল। সম্প্রতি
বিশ্বের সু-সজ্জিত বিলাসবহুল হোটেলগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি এবং একমাত্র সাত তারকা মানের হোটেল বলা চলে দুবাইয়ের বুর্জ আল আরবকে। সমুদ্রের তীর থেকে ২৮০ মিটার সুমুদ্রের ভেতরে কৃত্রিম একটি দ্বীপের উপর
ভাবুন, ঘুম ভেঙে চোখ মেলে দেখলেন ওপরে নীল আকাশ অথবা সারি সারি গাছ, তার ভেতর দিয়ে মেঘ ভেসে যাচ্ছে। হতে পারে কোনো এক পাহাড় ঘেঁষে আটকে আছে আপনার বিছানা। সেখানে
বাংলাদেশের প্রথম আন্তজার্তিক মানের পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা। ১৯৬৬ সালে যাত্রা শুরু এবং ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। মাঝে এটি ঢাকা শেরাটন হোটেল ও রূপসী বাংলা হোটেল নামে কার্যক্রম