কক্সবাজার। বলা হয় বাংলাদেশের পযর্টন রাজধানী। বহু দশক ধরে বাংলাদেশের পর্যটকদের প্রিয় অবকাশ যাপন কেন্দ্র। বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ বেলাভূমি, উচ্ছ্বসিত সমুদ্রতরঙ্গ, দিগন্তপ্রসারী ঝাউবন, উচু পাহাড়ের চূড়া, সুদৃশ্য প্যাগোডা, বৌদ্ধ মন্দির ইত্যাদি
গুলশান মূলত ঢাকার একটি আবাসিক এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জনজীবনের ব্যস্ততা বাড়ার সাথে ধীরে ধীরে এই আবাসিক এলাকা বাণিজ্যিক এলাকার রূপ নিতে থাকে। গুলশান কূটনৈতিক এলাকার পর্যায়েও পরে। তাই এইখানে
ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের রাজধানী মুম্বাইয়ের সেন্ট্রাল রেল স্টেশনে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক রিটায়ারিং রুম, যাকে বলা হচ্ছে ‘পড’। যাত্রীরা সস্তায় অত্যাধুনিক এই রিটায়ারিং রুমে বিলাসবহুল হোটেলের আরাম উপভোগ করতে পারবেন। পড-এর
বিশ্বের বুকে নানারকমের হোটেল আমরা দেখি। কিন্তু ভূগর্ভস্থ খনির মধ্যে রাতে শুতে যাবার অভিজ্ঞতা কজনের আছে বলুনতো? সেই অভিজ্ঞতাই এবার দিতে চলেছে যুক্তরাজ্যের একটি হোটেল। নতুন হোটেলটি আপনাকে গভীরতম ভিক্টোরিয়ান
বিলাসবহুল হোটেলে রাত কাটানোর সুযোগ সবাই চায়! কারও পছন্দ উঁচু ভবনে আবার কারও সমুদ্রতলে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যিই যে, সমুদ্রতলেই এখন বিলাসবহুল অনেক হোটেল তৈরি হয়েছে। সেসব স্থানে এক রাত কাটাতে
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে নির্মিত একটি হোটেল মহাকাশে অবকাশ কাটানোর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে যাচ্ছে। আর হোটেলটি বানানো হচ্ছে ২০২৭ সালের মধ্যেই। ভয়েজার স্টেশন নামে এই হোটেলটিতে ২৪ টি মডিউল থাকবে
বিশ্বের সু-সজ্জিত বিলাসবহুল হোটেলগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি এবং একমাত্র সাত তারকা মানের হোটেল বলা চলে দুবাইয়ের বুর্জ আল আরবকে। সমুদ্রের তীর থেকে ২৮০ মিটার সুমুদ্রের ভেতরে কৃত্রিম একটি দ্বীপের উপর
ধরন : তিন তারকা হোটেল স্থান : প্লট #৪৯, রোড#২৭, ব্লক# কে বনানী, গুলশান, ঢাকা-১২১৩ বিমানবন্দর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে, আশেপাশে এপার্ট্মেন্ট আর বনানী লেকের ২ টি ব্লক দিয়ে ঘেরা এই রেইনট্রি হোটেল। কাছাকাছি
বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকতের ইনানি বিচে গড়ে তোলা হয়েছে পাঁচ তারকা মানের ‘হোটেল রয়েল টিউলিপ সী পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা’। একপাশে সমুদ্র আর অন্য পাশে আকাশচুম্বী পাহাড় নিয়ে পর্যটকের
বিশ্বের সু-সজ্জিত বিলাসবহুল হোটেলগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি এবং একমাত্র সাত তারকা মানের হোটেল বলা চলে দুবাইয়ের বুর্জ আল আরবকে। সমুদ্রের তীর থেকে ২৮০ মিটার সুমুদ্রের ভেতরে কৃত্রিম একটি দ্বীপের উপর