সাগরকন্যা খ্যাত পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ছয় বছর আগে গড়ে উঠেছে ইলিশের পেটে রেস্টুরেন্ট। এক সময় ‘ইলিশ পার্ক অ্যান্ড ইকো রিসোর্টের’ এ রেস্টুরেন্টে প্রচুর কাস্টমার ও দর্শনার্থী ভিড় থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে
বিশ্বজুড়েই এখন জনপ্রিয় রুফটপ বা ছাদ রেস্তোরাঁ। প্রতিযোগিতার বাজারে যত উঁচু ভবনে রেস্তোরাঁ হবে, লোক সমাগমও হবে তত বেশি। তাইতো দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে উঁচু ভবনে উদ্বোধন করা হলো ভিন্নধর্মী এক
জাপানিজ খাবার খেতে ইচ্ছে হলে আর চিন্তার কিছু নেই। ঢাকাতেই জাপানি খাবার পাওয়া যাবে ‘সুশি তেই রেস্তোরাঁ’ টিতে। এখানে শুধুমাত্র জাপানিজ খাবারই পাওয়া যায়। শুধু খাবারেই নয়, জাপানের নিজস্বতার ছোঁয়া
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের উপকন্ঠে সাগরের দিক মুখ করে থাকা রেঁস্তোরায় বসে খেতে খেতে দু’চোখ ভরে সাগর দেখাটা বেশ পুরোনো হয়ে গেছে। মেরিন ড্রাইভের বুকে রেঁস্তোরার ভীড় বাড়ার সাথে সাথে
একসময় রেস্টুরেন্ট মানে কেবল খাবারের জায়গা হিসেবে মনে করা হত। কিন্তু এখন সময় পাল্টেছে, কেবল খাবারের জায়গাই নয়, বরং পরিবেশ, ডেকর ও অন্যান্য আরো বেশ কিছু বিষয় চিন্তা করে ফুডপ্রেমীরা
মনটা ভাল করার জন্য কি চাই ? এককাপ গরম কফি সাথে মিষ্টি অথবা নোনতা স্বাদে হালকা নাস্তা। নিজেকে রিফ্রেশ করার জন্য বা কিছুটা সময় আড্ডায় কাটানোর জন্য কফিশপের কোন বিকল্প
সাপনো কা শেহের মুম্বাই অর্থাৎ স্বপ্নের শহর মুম্বাই। আপনি যদি বলিউডের পোকা হয়ে থাকেন, তাহলে বহু সিনেমাতে বলা এই সংলাপের সঙ্গে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। স্বপ্নকে পুঁজি
নানা রঙের ফুলে সাজানো বাগান। সেখানে এক কাপ চা, কফি কিংবা পছন্দের খাবার খেতে খেতে আশপাশ দেখে চোখ জুড়িয়ে নিতে পারেন। গতানুগতিক চিন্তার বাইরে এসে স্বপ্নবিলাস ফ্লাওয়ার ভিলেজ নামে একটি
দার্জিলিং বলতেই অনেকের কাছে কেভেন্টার্স, গ্লেনারিজ। স্মৃতিতে-সাহিত্যে-রোমান্সে-সংস্কৃতিতে কতভাবে যে ঘুরে ঘুরে এসেছে এই দুটি ক্যাফে, তার হিসাব নেই। এবার দার্জিলিংয়ের পাহাড়ে আসছে ‘ক্যাফে হাউস’, যেটিকে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী বলে মনে করা
গত কয়েকদিন আগে গিয়েছিলাম সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে। সঙ্গে ছিল বন্ধু সানজানা। লঞ্চ ঘাটে আড্ডা দিতে দিতে বিকেল থেকে সন্ধ্যা হয়ে গেল। এর মধ্যেই পেটের ক্ষুধা কিছুটা বেড়ে গেল। আমার আবার