ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন বিরোধী অভিযানে চলতি বছরের তিন মাসে ১ লাখ ১৩ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার ও ডিপোর্ট করা হয়েছে লাখ অভিবাসীকে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে অবৈধভাবে অবস্থানরত ও সীমান্ত দিয়ে অবৈধ প্রবেশের সময় এসব অভিবাসীকে গ্রেপ্তার ও ডিপোর্ট করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এবং বর্ডার কর্তৃপক্ষ। এদিকে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ প্রবেশ গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে এ বছর।
তথ্যমতে, ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর শপথ গ্রহণের দিন থেকে প্রশাসনের অভিবাসন বিরোধী অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলমান আছে। ফেডারেল এজেন্টদের অভিযানে ব্যাপক ধরপাকড় আর সীমান্তে সামরিক বাহিনীর কঠোর অবস্থানে অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার আর ডিপোর্টেশনের কারণে সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ হ্রাস পেয়েছে। চলতি বছরের তিন মাসে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে অবস্থানরত অবৈধ ও অপরাধী ১ লাখ ১৩ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার ও এদের মধ্যে ১ লাখেরো বেশি অভিবাসীকে ডিপোর্ট করা হয়েছে।
দ্য নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে এ বছরের জানুয়ারিতে ২৯১০১ জন, ফ্রেব্রুয়ারিতে ৮৩৪৭ ও মার্চ মাসে ৭০০০ জন প্রবেশের সময় আটক হয়। এর আগে গত বছরের মার্চ মাসে ১লাখ ৩৭ হাজার অবৈধ অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলো। যা এ বছর ৯০ শতাংশ কম। ডিএইচএস সুত্র বলছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর সীমান্ত ও অবৈধ অভিবাসন নীতির জন্য গত ১ দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম সীমান্ত দিয়ে অবৈধ প্রবেশ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত যাদের গ্রেপ্তার ও ডিপোর্ট করা হয়েছে তাদের মধ্যে অধিকাংশই সহিংস অপরাধী ও ড্রাগসহ বিভিন্ন অপরাধে আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত এবং অভিযুক্ত।
সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধকালীন এলিয়েন এনিমিজ এক্ট আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সন্ত্রাসী সংগঠন ট্রেন ডি আরাগুয়া এবং এমএস-১৩ এর কয়েক হাজার সদস্যদের ডিপোর্ট করেছেন। সামরিক বাহিনীর ফ্লাইটে হাত-পায়ে হাতকড়া পরিয়ে ডিপোর্ট করা হয়। ডিপোর্ট হওয়া অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে বেশি রয়েছেন মেক্সিকো, এল সালভেদোর, ভেনিজুয়েলার ও ভারতের নাগরিকরা।