ঈদের দ্বিতীয় দিন ১ এপ্রিল উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে পর্যটক ও দর্শনার্থী উপস্থিতি। আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত এমন পর্যটকের বিচরণ থাকবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
গরম উপেক্ষা করে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে সকাল-দুপুর-সন্ধ্যায় লোকসমাগম বাড়তে থাকে।
সৈকতে বেড়েছে বিনোদন সঙ্গী ঘোড়া, বীচ বাইক, জেট স্কিসহ অন্যান্য অনুষঙ্গ।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট ক্লাব ও ট্যুরস অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (টুয়াক) সভাপতি মো. রেজাউল করিম বলেন, ঈদের ছুটিতে লাখো পর্যটক সমাগম হতে পারে, এ আশায় পর্যটকদের বরণে সৈকত তীরের ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউজ প্রস্তুত ছিল।
এবারের ঈদের ছুটির পর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আরও একটি ছুটিতে পর্যটক সমাগম হতে পারে এবং এটি দিয়েই চলতি পর্যটন মৌসুম শেষ হবে বলে ধরে নেওয়া যায়।