1. b_f_haque70@yahoo.com : admin2021 :
  2. editor@cholojaai.net : cholo jaai : cholo jaai
৮ম বর্ষে পদার্পণ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইভ্যালিতে ১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে যমুনা গ্রুপ যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লাইট বাড়ালো এমিরেটস এয়ারলাইন্স ‘অতি জরুরি প্রয়োজন’ হলে পাসপোর্টের আবেদন নেওয়া হচ্ছে আগস্টে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ফ্লাইট চালুর চিন্তাভাবনা শিল্পা ঘুমিয়ে পড়লে শ্যালিকার সঙ্গে পার্টি করতেন! রাজের বেফাঁস মন্তব্য ঘিরে শোরগোল নেটপাড়ায় আমরা বোধহয় মানুষ-ও হতে পারলাম না, বললেন শাওন চীনের যে সমাজে পুরুষের কাজ শুধু শয্যাসঙ্গী হওয়া শিল্পা ঘুমিয়ে পড়লে শ্যালিকার সঙ্গে পার্টিতে যেতেন রাজ ওমরাহ পালনে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশকে যেসব শর্ত মানতে হবে বিশ্বের দ্রুততম স্থলযান আনল চীন, গতি ঘণ্টায় ৬০০ কিমি

৮ম বর্ষে পদার্পণ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

চলযাই ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১

সাত বছরে ১৭টি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্য ও ১৪টি এয়ারক্রাফট যোগ হয়েছে বিমান বহরে ঢাকা, জুলাই ১৭, ২০২১: কোভিড-১৯ মহামারী বিস্তার লাভের কারণে সারাবিশ্বের আকাশপথের যোগাযোগ অনেকটা বন্ধ হয়ে আছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স অতিক্রম করেছে সাফল্যগাঁথা সাতটি বছর। ১৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দু’টি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের এভিয়েশন শিল্পে যাত্রা শুরু করে।

প্রথম এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সকল বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা করে স্বল্পতম সময়ে আকাশপথের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সূদৃঢ় করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। অভ্যন্তরীণ রুট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, বরিশাল, রাজশাহীতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউএস-বাংলা যাত্রা শুরুর দু’বছরের মধ্যে ১৫ মে ২০১৬ তারিখে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মধ্যেমে আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রা শুরু করে। ইউএস-বাংলার আন্তর্জাতিক রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে কলকাতা, চেন্নাই, মাস্কাট, দোহা, দুবাই, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক ও গুয়াংজু।

নিকট ভবিষ্যতে আবুধাবী, জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মাম, কলম্বো, মালে, দিল্লী রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমান বহরে মোট চৌদ্দটি এয়ারক্রাফট রয়েছে, যার মধ্যে ১৬৪ আসনের চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, ৭২ আসনের সাতটি এটিআর ৭২-৬০০ এবং ৭৬ আসনের তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট আছে। যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৯৮.৭% অন-টাইম ফ্লাইট পরিচালনার রেকর্ড রয়েছে ইউএস-বাংলার। যাত্রীসেবায় অনন্য নজির স্থাপন করায় ইউএস-বাংলা দেশীয় এয়ারলাইন্স হিসেবে যাত্রীদের কাছে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশে-বিদেশে বর্তমানে প্রায় ১৫০০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আছে ইউএস-বাংলার। যা দেশের বেকার সমস্যা সমাধানেও কাজ করে যাচ্ছে।

এছাড়া নিয়মিত ট্যাক্স-সারচার্জ পরিশোধ করে দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করে চলেছে। বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিকে করছে আরো সূদৃঢ়। ইউএস-বাংলার টিকেট সংগ্রহ করার জন্য রয়েছে ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপস্ বুকিং সুবিধা। রয়েছে হোম ডেলিভারী সুবিধাও। দেশে এবং দেশের বাহিরে নিজস্ব ৪০টির অধিক সেলস্ অফিস রয়েছে। ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লাইয়ারদের জন্য রয়েছে স্কাইস্টার । যার মাধ্যমে শুধু টিকেটেই সুবিধা পাবে না বরং যাত্রীরা বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ক্রয়ে ডিসকাউন্ট সুবিধাও পেয়ে থাকে। স্বাধীনতার পর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স-ই একমাত্র দেশীয় বিমান সংস্থা যা, চীনের কোনো গন্তব্যে বা ভারতের চেন্নাই-এ সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যাত্রীদেরকে বেশ কয়েকটি স্পেশাল সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা, যা অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এভিয়েশন শিল্পে। উল্লেখযোগ্য সার্ভিসগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরনের পর ১৫ মিনিটে ল্যাগেজ ডেলিভারী, সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য ২০%, সামরিকবাহিনীর কর্মকর্তা ও গলফারদের জন্য ১০% মূল্যছাড়সহ আরো নানাবিধ সুযোগসুবিধা। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স শুধু যাত্রীই পরিবহন করে না সাথে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যে কার্গোও পরিবহন করে থাকে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দেশের বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খেলাধূলার উন্নয়নের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে আছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন ৮ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা যেকোন ধরনের প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। বর্তমান বিশ্বে যাত্রীদের সঠিক সেবা প্রদান করার জন্য ব্র্যান্ডনিউ এয়ারক্রাফটের কোনো বিকল্প নেই। ইউএস-বাংলা যাত্রীদের আরামদায়ক সেবাকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এয়ারক্রাফট বহরে যুক্ত করে চলেছে। ইউএস-বাংলা-ই একমাত্র দেশীয় বিমান সংস্থা, যারা অভ্যন্তরীণ রুটে ব্র্যান্ডনিউ এয়ারক্রাফট দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

ইনশাল্লাহ নিকট ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক রুটেও ব্র্যান্ডনিউ এয়ারক্রাফট বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছি। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে ইউএস-বাংলা পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।” এছাড়া অষ্টম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে তিনি বলেন, “ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সাফল্যে ভরা সাত বছর এর সাথে যে সকল সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্ট, ট্যূর অপারেটর, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ, সর্বোপরি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত যেসকল কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 cholojaai.net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com