বিভিন্ন জাতি ও জাতিসত্তার সমন্বয়ে আমাদের বাংলাদেশ। সুতরাং, প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা উৎসব ও পালাপার্বণ। আবার জাতিভেদে রয়েছে একই উৎসবের ভিন্ন নাম ও উদযাপনের তরিকা। যেমন- বাঙালির যা পহেলা বৈশাখ, চাকমাদের
সমুদ্রসৈকত বা দ্বীপ বরাবরের মতোই সবার প্রিয়। সমুদ্রের উত্তাল গর্জন আর শীতল বাতাস সবার হৃদয়ই শিহরিত করে। নিজের ভেতরে অন্যরকম রোমাঞ্চ তৈরি হয়। সমুদ্র আর নীল আকাশের অপূর্ব সমন্বয় লক্ষ্য
চট্টগ্রামের পারকি সমুদ্র সৈকত-এর কথা হয়তো অনেকেরই জানা।চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে আনোয়ারার পারকি সমুদ্র সৈকত অবস্থিত। স্থানীয়দের ভাষায় এটি ‘পারকির চর’। এই সৈকত কর্ণফুলীর মোহনায় হলেও এর বিস্তৃতি
প্রাণ ও প্রকৃতির এক অপার সমাহার আমাদের দক্ষিণাঞ্চল। অনন্য জীবনধারা থেকে প্রকৃতির রূপের খেলা, কী নেই বঙ্গোপসাগরে বুকজুড়ে জেগে থাকা দক্ষিণের ভূখণ্ডে। সাগরের বুকে তেমনই এক ভূখণ্ড নোয়াখালী জেলার হাতিয়া
ভ্রমণপিপাসুদের কাছে ভ্রমণের আনন্দ বর্ণনা করে শেষ করা যায় না। দেশে কিংবা বিদেশের দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে আসেন তারা। দেশের ভিতরও রয়েছে অতুলনীয় কিছু সৌন্দর্যে ভরপুর স্থান। তেমন একটি হলো সিলেট
সীমাহীন সম্ভাবনা ও আকর্ষণীয় নানান ক্ষেত্র লালিত হচ্ছে খাগড়াছড়ি। চারদিকে চোখ জুড়ানো পাহাড় আর পাহাড়। এত পাহাড় এত বন-বনানী, পাখ-পাখালির কলকাকলি, এত ঝরনা আমাদের দেশের আর কোথাও নেই বললেই চলে।
কক্সবাজারসমুদ্র সৈকতের বিস্তীর্ণ বেলাভূমি সারিসারি ঝাউবন সৈকতে আছড়ে পড়া বিশাল ঢেউ, সকাল বেলা দিগন্ত বিস্তৃত জলরাশি ভেদ করে লাল সূর্যোদয়ের দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। দিগন্তের চারিদিকে আরো বেশি স্বপ্নিল রং
জঙ্গল থেকে দিগন্ত বিস্তৃত ক্ষেতখামার, নদীনালা, খাল-বিল, হাওর পাহাড়, পর্বত সমুদ্র সব কিছুর মধ্যে খুজে পাবেন বাংলাদেশ। পুরোনো ঐতিহ্যের মধ্যে খুজে পাবেন ঢাকেশ^রী মন্দির, লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, পানামা সিটি।দৃষ্টিনন্দন,
দ্বীপ নয়, চর হিসেবে চেনে সবাই। প্রতিটি চরে আছে অপূর্ব সৈকত। অধিকাংশ সৈকত থেকে দেখা যাবে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। দেখা যাবে দেশি-বিদেশি পাখি, পূর্ণিমায় অপূর্ব জোছনা, লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি। কুয়াকাটাকে
ঘুরে এলাম মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ। উপজেলার খাসিয়া পল্লী, নাম কালেনিপুন্জী। রাস্তা পেরিয়ে নিভৃত জঙ্গলে এই খাসিয়া পল্লী, যেখানে পঁচানব্বইটি খাসিয়া পরিবারের বসবাস । আমাদের ঢাকার অনেক এলাকার মত সদর দরজা রয়েছে