দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটন বান্ধব পরিবেশের জন্য থাইল্যান্ড এশিয়ার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। থাইল্যান্ডের অসংখ্য দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে পর্যটকদের সবেচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে পাতায়া সমুদ্র সৈকত। এই সৈকতের সাদা নরম
দুবাই বিলাসবহুল ও অদ্ভূত জীবনযাপনের জন্য বিখ্যাত এক শহর। অথচ এক সময় ছিল ধুধু মরুভূমি ও জেলেপল্লি। দুবাই কোনো দেশ না। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সবচেয়ে বড়ো এবং জনবহুল শহর হচ্ছে
অস্ট্রেলিয়া এবং ভৌগোলিক অঞ্চল ওশেনিয়ার মধ্যে সবচেয়ে জনবহুল শহর সিডনির ব্যাপারে। তবে স্পেশাল ব্যাপারটা হলো যারা মাছ খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য। বিশ্বের তৃতীয় সব থেকে বড় মাছ বাজার রয়েছে সিডনিতে।
পৃথিবীর ভাসমান শহরের তালিকার শীর্ষে যে শহরের নাম উঠে আসে সেটি হলো ভেনিস। নান্দনিক সৌন্দর্যের ঐতিহাসিক এক নগরী হলো ভেনিস। ইতালির এ শহরটির মতো নান্দনিক শহর পৃথিবীতে খুব কমই আছে।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হলো মোনাকো। মোনাকো একটি স্বাধীন দেশ, এ নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। আমি বলবো, এটি একটি স্বাধীন স্টেট। কারণ মোনাকো স্বাধীন দেশ হিসেবে ১৯৯৩ সালের ২৮ মে জাতিসংঘের
বিশ্বের অন্য অনেক দেশের চেয়ে ভ্রমণের জন্য জাপান এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ একটি রাষ্ট্র। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং উন্নত জীবনযাপন পদ্ধতির কারণে এটি অনন্য এক দেশ। নিজেদের ইতিহাস আর ঐতিহ্য বেশ
অস্ট্রিয়ার সরকারী নাম “রিপাবলিক অফ অস্ট্রিয়া”। এটি পশ্চিম ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। দেশটির উত্তরে জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র, পূর্বে স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরি, দক্ষিণে স্লোভেনিয়া ও ইতালি এবং পশ্চিমে সুইজারল্যান্ড ও লিশ্টেন্ষ্টাইন
খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ সালের স্যাং যুগে গঠিত হওয়া চীন এশিয়ার প্রাচীন দেশ গুলোর মধ্যে একটি। পরিবেশগত দিক থেকেও চীনের প্রকৃতি প্রাচীন ধাঁচের। আর বৈচিত্র্যের দিক থেকে এশিয়াতে চীনের অবস্থান হবে প্রথম
আজ আমরা এমন একটি শহর সম্পর্কে জানবো যেই শহরটি আমাদের সকলের কাছেই পরিচিত। বিভিন্ন জায়গায় আমরা এই শহরটির নাম শুনে থাকি। কখনো কখনো এই শহরটিকে আমরা বিভিন্ন মুভিতেও দেখে থাকি।
দুই হাজার চৌদ্দ সালের এক জরিপে এসেছিল, পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশের নাম ফিজি। এত ছোট এক দ্বীপরাষ্ট্র। কিন্তু বেশ ধনী ওই দেশ। জনপ্রতি জিডিপি দশ হাজার ডলার। ফিজিয়ান ডলারের মানও