মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
Uncategorized

বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সে পরিবার নিয়ে আসার বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য

  • আপডেট সময় বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১

করোনা মহামারীতে যখন সারা বিশ্ব আক্রান্ত  তখন ফ্রান্স করোনা সংক্রমণের কারণে বিদেশিদের পরিবার ফ্রান্সে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাদের ভিসা প্রদান বন্ধ ঘোষণা করে ।

ফ্রান্সে অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করেন  বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত নয়ন এনকে । তিনি  কিছু দিন আগে বিদেশে ফরাসী দূতাবাসগুলো পরিবার পুনর্মিলনীর ভিসা প্রদানে দীর্ঘ সময় নেয়া এবং নানা অজুহাতে ভিসা আবেদন নামঞ্জুর করে এই সব  বিষয় নিয়ে ফরাসী সংসদের সদস্য Daniele Obono এর সাথে বিস্তারিত আলাপ  আলোচনা করেন এবং তাকে বোঝাতে সক্ষম হন যে, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশী পরিবারগুলো ‘পুনঃ একত্রীকরণ’ ও ‘পুনর্মিলনী’ ভিসা আবেদনকারীদের ২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে।

এ ব্যাপারে ফরাসী সাংসদ Daniele Obono এই পরিস্থিতির সাথে সংহতি প্রকাশ করেন এবং তিনি বিষয়টি নিয়ে ফরাসি সংসদে আলোচনা করবেন  এবং বাংলাদেশস্থ ফরাসী দূতাবাসে চিঠি লিখবেন বলে আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে জানা যায়  তিনি এই বিষয় নিয়ে  ইতিমধ্যে বাংলাদেশস্থ ফরাসী দূতাবাসে চিঠি পাঠিয়েছেন।

তার সহকর্মী লা ফ্রঁস আঁসুমিজ (La France Insoumise)-এর দলের ফরাসী সংসদের সদস্য Alexis Corbière ফ্রান্সের গভের্নমেন্টকে চিঠি লিখেছে পারিবারিক পুনর্মিলনের বিষয় নিয়ে।

ফ্রান্সে বসবাসরত শত শত মানুষ বছরের পর বছর ধরে তাদের স্বামী বা স্ত্রী বা তাদের সন্তানদের থেকে পৃথক হয়ে রয়েছেন। কোভিড-১৯ মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসাবে, ফ্রান্সের গভের্নামেন্ট ২০২০ সালের মার্চ মাসে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে বিদেশ থেকে আগত লোকদের ফ্রান্সের চলাচল সীমিত করার । আর সেই কারণে সরকার বিদেশীদের স্বামী বা স্ত্রী ও বাচ্চাদের পারিবারিক পুনর্মিলনের ভিসা দেয়া বন্ধ করে দেয় ।

কিন্তু  চলতি বছরের ২১ শে জানুয়ারি  ফ্রান্সের কাউন্সিল অফ স্টেট এই সিদ্ধান্তটি স্থগিত করেছিলেন ।  কারণ বেশ কয়েকটি গুরত্বপূর্ণ এসোসিয়েশন কাউন্সিল অফ স্টেটকে জব্দ করেছিল। এর পরে কাউন্সিল অফ স্টেট বিবেচনা করে যে এই ব্যবস্থাটি “সাধারণ পারিবারিক জীবনের অধিকার এবং সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থের উপর একটি অপ্রাসঙ্গিক লংঘন ” কিন্তু এর পরেও সরকারের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে।

কার্যনির্বাহী প্রত্যাখ্যান করছেন পারিবারিক পুনর্মিলনের ক্রাইটেরিয়া বিষয়টি ফ্যামিলি অপরিহার্য কারণের/motifs familiaux impérieux লিস্টে রাখতে যেটির মাধ্যমে বিদেশীদের পরিবার ফ্রান্সে মাটিতে প্রবেশ করতে পারতো।

যেহেতু পারিবারিক পুনর্মিলনের বিষয়টি এই লিস্টে রাখেনি , তাই  এ কারণে Alexis Corbière ফ্রান্স সরকারকে চিঠি লিখেছে যাতে পারিবারিক পুনর্মিলনের বিষয়টি ফ্যামিলি অপরিহার্য কারণের/motifs familiaux impérieux লিস্টে রাখা হয় এবং পরিবার সবাই যাতে এক সাথে থাকতে পারে।

তার মানে হলো এই বিষয়টি নিয়ে অনেক কাজ হচ্ছে, আশা করা যাচ্ছে এখন থেকে ভিসা ঠিক মতো দেওয়া হবে ।

▪︎লেখক : নয়ন এনকে . প্রভাষক, রাজনীতিবিদ ও অভিবাসন পরামর্শক ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

ভ্রমন সম্পর্কিত সকল নিউজ এবং সব ধরনের তথ্য সবার আগে পেতে, আমাদের সাথে থাকুন এবং আমাদেরকে ফলো করে রাখুন।

© All rights reserved © 2020 cholojaai.net
Theme Customized By ThemesBazar.Com