ধরন : তিন তারকা হোটেল স্থান : প্লট #৪৯, রোড#২৭, ব্লক# কে বনানী, গুলশান, ঢাকা-১২১৩ বিমানবন্দর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে, আশেপাশে এপার্ট্মেন্ট আর বনানী লেকের ২ টি ব্লক দিয়ে ঘেরা এই রেইনট্রি হোটেল। কাছাকাছি
আপনি সাগরের পানির নিচে অবস্থান করছেন। চারপাশে শুধু নীল জলরাশি। সেখানেই ছিমছাম একটি কক্ষে বিছানায় শুয়ে মাছের ঝাঁকসহ অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণী দেখছেন। কখনও তাদের উদ্দেশে হয়তো দু-একটি কথাও বলছেন মনের
ওয়েষ্টিন হোটেলটি ঢাকার সবচেয়ে বিলাসবহুল এলাকা গুলশানের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত। হোটেলটি ২৪ তলা। হোটেলটির বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই এর ভিতর কি বিশাল আয়োজন। হোটেলটি ডিপলোমেটিক জোনে অবিস্থত হওয়ায় বিদেশি গেস্ট
বাংলাদেশের প্রথম আন্তজার্তিক মানের পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা। ১৯৬৬ সালে যাত্রা শুরু এবং ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। মাঝে এটি ঢাকা শেরাটন হোটেল ও রূপসী বাংলা হোটেল নামে কার্যক্রম
গুলশান মূলত ঢাকার একটি আবাসিক এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জনজীবনের ব্যস্ততা বাড়ার সাথে ধীরে ধীরে এই আবাসিক এলাকা বাণিজ্যিক এলাকার রূপ নিতে থাকে। গুলশান কূটনৈতিক এলাকার পর্যায়েও পরে। তাই এইখানে
বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকতের ইনানি বিচে গড়ে তোলা হয়েছে পাঁচ তারকা মানের ‘হোটেল রয়েল টিউলিপ সী পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা’। একপাশে সমুদ্র আর অন্য পাশে আকাশচুম্বী পাহাড় নিয়ে পর্যটকের
নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝে প্রশান্তি খুঁজে পেতে কক্সবাজার মানুষের নিকট খুবই জনপ্রিয় গন্তব্য। পৃথিবীর দীর্ঘতম এই সমুদ্র সৈকতও অপার্থিব সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে অপেক্ষায় থাকে পর্যটকদের। এখানে একেকটি বিচের একেক রকম
শুধু উচ্চবিত্তই নয়, মধ্যবিত্ত শ্রেণির কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের প্রথম ও একমাত্র পাঁচতারা হোটেল “রেডিসন বে ভিউ”।বিখ্যাত এই চেইন হোটেলটি এখন দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের প্রথম পছন্দ। বিভিন্ন করর্পোরেট গ্রপের বার্ষিক
হোটেল হিল ভিউ বান্দরবান শহরের অন্যতম বড় আর পুরোনো আবাসিক হোটেল। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হোটেল হিল ভিউ পরিপাটি সার্ভিসের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত। বান্দরবানে প্রবেশ করতেই দেখতে পাবেন হোটেল হিল ভিউ।
করোনার আবহে বেড়াতে যাওয়ার কথা বেমালুম ভুলতে বসেছেন প্রায়! তবে এই অবস্থা একসময় কেটে যাবে। পরিস্থিতি শুধু একবার স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষা। ব্যস! তারপর আর আটকায় কে! তবে জেনে রাখুন এই