সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে দেশী ও বিদেশী অতিথিদের উন্নত থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে ২০০০ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয় “Hotel Golden Deer Ltd.” লোকেশন: গুলশান ২নং মসজিদ থেকে ২০০ গজ
বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকতের ইনানি বিচে গড়ে তোলা হয়েছে পাঁচ তারকা মানের ‘হোটেল রয়েল টিউলিপ সী পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা’। একপাশে সমুদ্র আর অন্য পাশে আকাশচুম্বী পাহাড় নিয়ে পর্যটকের
কথায় বলা হয় এই পৃথিবীর কোন সৌন্দর্য্য ই স্বর্গের মতো নয়। স্বর্গে যা চাওয়া হয় তা সাথে সাথে সামনে এসে হাজির হয়। কিন্তু আজ আপনাদের আমি এমন একটি হোটেল সম্পর্কে
বাংলাদেশের প্রথম আন্তজার্তিক মানের পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা। ১৯৬৬ সালে যাত্রা শুরু এবং ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। মাঝে এটি ঢাকা শেরাটন হোটেল ও রূপসী বাংলা হোটেল নামে কার্যক্রম
১৯৪৭ সালে সরকারী মালিকানাধীন হোটেল, ‘হোটেল অবকাশের’ যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন হোটেলটি পরিচালনা করে থাকে। অবস্থান ও ঠিকানা সরকারী তিতুমীর কলেজ থেকে মূল সড়ক ধরে পূর্ব দিকে ১০০ গজ এগোলেই
সোনায় (gold) মোড়া গোটা হোটেল, সোনার তৈরি সুইমিং পুল, সোনার তৈরি কমোড…। কি ভাবছেন অলীক কল্পনা? না, একেবারে বাস্তব সত্য। সেলুলয়েডের কোন গল্প নয়, একেবারে হাতে ধরে দেখতেও পারবেন। ভ্রমণের
কাজের জন্য হোক আর অবসরে বেড়াতে দেশের বাইরে গিয়ে ভ্রমণপিপাসুরা এখন বুঝেশুনে হোটেল বাছাই করেন। তাদের পছন্দের তালিকায় থাকে বিলাসবহুল সুবিধা, চোখজুড়ানো ইন্টেরিয়র ডিজাইন, ইনস্টাগ্রামের জন্য ছবি তোলার মতো জুতসই
করোনার আবহে বেড়াতে যাওয়ার কথা বেমালুম ভুলতে বসেছেন প্রায়! তবে এই অবস্থা একসময় কেটে যাবে। পরিস্থিতি শুধু একবার স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষা। ব্যস! তারপর আর আটকায় কে! তবে জেনে রাখুন এই
বিলাসবহুল হোটেলে রাত কাটানোর সুযোগ সবাই চায়! কারও পছন্দ উঁচু ভবনে আবার কারও সমুদ্রতলে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যিই যে, সমুদ্রতলেই এখন বিলাসবহুল অনেক হোটেল তৈরি হয়েছে। সেসব স্থানে এক রাত কাটাতে
নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝে প্রশান্তি খুঁজে পেতে কক্সবাজার মানুষের নিকট খুবই জনপ্রিয় গন্তব্য। পৃথিবীর দীর্ঘতম এই সমুদ্র সৈকতও অপার্থিব সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে অপেক্ষায় থাকে পর্যটকদের। এখানে একেকটি বিচের একেক রকম