দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মাঝে সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর এবং পর্যটন সমৃদ্ধ এলাকার নাম নিলে মালয়েশিয়া অবশ্যই সেখানে থাকবে। আর মালয়েশিয়াতে ঘুরতে আসলে যেকারও প্রথম পা রাখতে হবে বিশাল এক বিমানবন্দরে। যার নাম,
দেশে শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে অত্যাধুনিক রাডার ও নেভিগেশনব্যবস্থা। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই ব্যবস্থা বসছে। চলতি বছরের শেষ দিকে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে পারে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ
সবচেয়ে দ্রুত ও নিরাপদ ভ্রমণের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে বিমান। কম সময়ে বড় দূরত্ব পার করা যায় বলে প্রতিনিয়ত বিশ্বে বিমান ভ্রমণকারীর সংখ্যা বাড়ছে। এই যানটির কথা বললেই চলে আসে বিমানবন্দরের
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত বিমানবন্দরের উদ্বোধন হয়ে গেল তুরস্কে। দেশটির জনবহুল শহর ইস্তাম্বুলের নামে এ বিমানবন্দরের নাম হবে ‘ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর’। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এই বিমানবন্দর উদ্বোধন করেন৷
বিমানবন্দরে রয়েছে সবধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। যেখানে একজন যাত্রী সহজেই বিমানবন্দরের সব ধাপ অতিক্রম করে উড়োজাহাজে চড়তে পারেন। এশিয়াতেও এমন অনেক বিমানবন্দর রয়েছে। বাংলাদেশেও শিগগিরই এমন সুবিধা পেতে যাচ্ছেন উড়োজাহাজের যাত্রীরা।
টাটা গ্রুপের অবকাঠামো এবং নির্মাণ শাখা, ‘টাটা প্রজেক্টস’, উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডার জেওয়ারে আসন্ন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের বরাত হাসিল করেছে। এই চুক্তির অংশ হিসাবে টাটা গ্রুপ বিমানবন্দরের টার্মিনাল, রানওয়ে,
বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর হচ্ছে ইস্তাম্বুল এয়ারপোর্ট। ২০১৩ সালে ইস্তাম্বুল শহর থেকে ৩৫ কিমি দূরে ১৮৩০ একর জায়গার উপর এয়ারপোর্টটি তৈরী হয়েছে। টানা তিনবছর ৬ মাস বিশাল কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ ৬০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই দৃশ্যমান হয়েছে দৃষ্টিনন্দন টার্মিনাল ভবন। এখন অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা এবং বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজ চলছে। আগামী অক্টোবরে
দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আবারো বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর হিসেবে স্থান লাভ করেছে। এতে পিছিয়ে পড়েছে যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম বিমানবন্দর লন্ডন হিথরো। সংশ্লিষ্টরা জানান, ছুটির মৌসুমে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিড় জমে যাত্রীদের। বিশ্বব্যাপী
শেয়ার মৌলভীবাজারের শমসেরনগর বিমানবন্দরটি একসময় ছিলো এশিয়ার মধ্যে বৃহত্তম রানওয়ের অধিকারী বিমানবন্দর। সেই সাথে এটিই ছিলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রানওয়ের বিমানবন্দর। কিন্তু ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অব্যাবহৃতভাবেই পড়ে আছে