1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : cholo jaai : cholo jaai
নিউইয়র্কে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতি
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

নিউইয়র্কে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতি

চলযাই ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১

গত কয়েক মাস ধরে নিউইয়র্কে একটানা বেড়ে চলেছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। মাস, মাংস, তেল, চাল, ডাল, চিনি, রসুন সহ ভোজ্যপণ্যের দাম বাড়ায় নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তাদের।  দিশেহারা হয়ে পড়েছে নি¤œ আয়ের ক্রেতারা।

পেঁয়াজ, রসুন, শাকসবজি, ফলমূল, এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম বাজারে কী কারণে বাড়ছে, তা সাধারণ মানুষের বোধগম্য হচ্ছে না।
সাধারণত বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকলে পণ্যের দাম বাড়ে। কিন্তু বাজারের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে মনে হয় না, সেখানে সরবরাহের ঘাটতি আছে। তারপরও প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম।

এমনকি শীতকাল কাছাকাছি চলে এলেও শীতের সবজির দাম তো কমছে না, বরঞ্চ বাড়ছে। যার ফলে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ আয়ের মানুষের।
দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন স্বল্প আয়ের মানুষরা। এইসব খেটে খাওয়া মানুষেরা কিভাবে এই বর্ধিত মূল্যের সাথে খাপ খাইয়ে চলবেন তা নিয়ে তারা দিশেহারা।  জিনিসের দামের সাথে মিল রেখে তাদের শ্রমের মূল্য তো আর বাড়েনি।

যে হারে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে তাতে ক্রমশ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। নিউইয়র্ক শহরের সব দোকানেই গত কয়েক মাসে আলু পেঁয়াজ, আদা, মরিচ, প্রভৃতি সবজির দাম প্রতি পাউন্ডে গড়ে ৫০ থেকে ৬০ সেন্ট  বেড়ে গিয়েছে। মাছের দাম শতকরা ৫ এবং মাংসের দাম শতকরা ১০ ডলার বেড়ে গিয়েছে।

একজন ক্রেতা বলেন, সঠিক ভাবে তদারকি না হওয়ার কারণেই নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ সিন্ডিকেটের মধ্যে ডুবে আছি আমরা। এমনও দেখা গেছে, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জিনিপত্রের দাম বাড়ানো হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়ছে খেটে খাওয়া নি¤œ আয়ের মানুষরা। তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। বাজার নিয়ন্ত্রণ করার মতো কেউ নাই। ব্যবসায়িরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের ইচ্ছামাফিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করে থাকেন।

এূল্য বৃদ্ধি সম্পর্কে জ্যাকসন হাইটসের খামার বাড়ির মালিক হারুন ভূঁইয়া জানান, কয়েক মাস আগেও একটি কন্টেইনার আনতে যেখানে ব্যয় হতো ৩৮ শত থেকে ৪৫ শত ডলার এখন সেখানে এই ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে ১৮ হাজার ডলারে ঠেকেছে। এছাড়া কোভিডের কারণে উৎপাদনও অনেক কমেছে। যার ফলে প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে।

আর এক বিক্রেতার দাবি, পণ্যের সরবরাহ কম। তাছাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে পরিবহন খরচ, গাড়ি ভাড়ার খরচ। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে করোনাকেও দুষছেন দোকানের মালিকরা।

সাধারণ ক্রেতাদের কথায়, জিনিসপত্রের দাম প্রতি দিন বেড়ে চলেছে কিন্তু দাম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। যার ফলে আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছে ক্রেতা সাধারণ।

আজকাল

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 cholojaai.net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com