ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সিমলা। হিমাচল প্রদেশের এই পর্যটন কেন্দ্রটি মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য, ঔপনিবেশিক স্থাপত্য এবং মনোরম আবহাওয়ার জন্য বিখ্যাত। সিমলা ভ্রমণে গিয়ে দেখার জন্য শীর্ষ স্থানীয় কিছু স্থান
যেদিকে চোখ যায় শুধুই পাহাড়। চোখ মেললেই দেখা যায় হাজার রকমের ফুলের গাছ। যেন হরেক রঙের ফুল ঢেকে ফেলেছে পাহাড়গুলোকে। আর সেই ফুলে ঢাকা পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলেছেন আপনি।
নিজের আত্ম-বিশ্লেষণ করার জন্য যখন কোনো বিশেষণ খুঁজি তখন ‘সুযোগ সন্ধানী ‘ বিশেষণটা বেশি যৌক্তিক মনে হয়। নিজের ইচ্ছাগুলোকে অন্যের উপলক্ষের সাথে গেঁথে দেয়ায় আমি বেশ পারদর্শী। আর তাই স্ত্রীর
খুব ভোরে ঘুম ভেঙে হোম স্টে’র বারান্দায় দাঁড়াতেই খানিকটা মন খারাপ হয়ে গেল। কাঞ্চন দা’ ঢেকে আছেন বিশাল মেঘ খণ্ডের আড়ালে। গত রাতে হয়ে যাওয়া বৃষ্টিতে দার্জিলিং যেন একরকম চুপসে
১৩৩১ বঙ্গাব্দের গ্রীষ্মের অবকাশ। বিশ্বভারতী বন্ধ হয়েছে। রবীন্দ্রনাথও ছুটি কাটাতে কলকাতা থেকে রওনা হলেন শিলংয়ের উদ্দেশে। ইংরেজিতে সে তারিখ ২৬ এপ্রিল ১৯২৩। সেবার তিনি শিলংয়ে ছিলেন প্রায় দুই মাস। জুনের
কেরালায় কয়েকদিন বেড়িয়ে আসলে আপনার মনে হবে, এ যেন এক ভিন্ন ভারত। ভারতের অন্য প্রদেশের সঙ্গে কেরালার তেমন কোনো মিল নেই। মানুষ থেকে শুরু করে, তাদের ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাস,
কলকাতা বা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় এতবার গিয়েছি, কিন্তু দেশটির কোনো সমুদ্রসৈকতে যাইনি। তাই এবার পরিকল্পনা করেছিলাম যে দিঘায় যাব। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একটি সমুদ্রসৈকত দিঘা। এটি কলকাতা থেকে ১৮৭
দ্বীপপুঞ্জটি দেখতে ছবির মতো। আচ্ছাদিত আদিম সৌন্দর্য, ফিরোজা-নীলাভ জল আর অদূষিত সমুদ্র সৈকত—সবমিলিয়ে লাক্ষাদ্বীপকে বলা হয় আরেক মালদ্বীপ। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মালদ্বীপকেও ছাড়িয়েছে লাক্ষাদ্বীপ! আরব সাগরের এই দ্বীপটি মূলত
দার্জিলিং সব সময় বাংলাদেশের মানুষের প্রিয় ভ্রমণ গন্তব্যের একটি। সহজে ও কম খরচে যাতায়াতের পাশাপাশি বই, সিনেমার কল্যাণে দার্জিলিংয়ের প্রতি অন্যরকম এক টান আমাদের। আমার যেমন দার্জিলিংয়ের প্রতি ভালোবাসা ও
রানা ভাই শিলিগুড়িতে আগে পৌঁছানোয় টিমের জন্য বেশ উপকারই হয়েছিল। তিনি বেশ কয়েকটি স্থানীয় ট্যুর কোম্পানির সঙ্গে আগেই কথা বলেছিলেন। কোম্পানিগুলো শিলিগুড়ি থেকে আমাদের সিকিমে জীপে করে নিয়ে যাবে। সেইসাথে