বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

জার্মানিতে তরুণ পুরুষ আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ছে

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৪

জার্মানিতে আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে ১৬ থেকে ৪০ বছর বয়সি পুরুষের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে৷ গত পাঁচ বছরের পরিসংখ্যানে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে জার্মানির ফেডারেল অফিস ফর মাইগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজিস (বিএএমএফ)৷

একজন অভিবাসন বিশ্লেষক বলছেন, যখনই অভিবাসন রুট কঠোর ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠে তখন তরুণ অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যায়৷

জার্মান বার্তা সংস্থা ডিপিএ জানিয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত জার্মানিতে আশ্রয় চেয়ে করা আবেদনকারীদের মধ্যে ১৬ থেকে ৪০ বছর বয়সি পুরুষের সংখ্যা ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ৷

২০১৯ সালের এই বয়সি পুরুষের আবেদনের হার ছিল ২৬ দশমিক ২ শতাংশ৷ আর ২০২০ সালে এটি বেড়ে হয়েছে ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ৷

বিএএমএফ বলছে, এর আগে কম বয়সি পুরুষ আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে ২০১৫ সালে৷ ওই বছর তাদের আবেদনের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ৷ ২০১৬ সালে কিছুটা কমে হয় ৪২ দশমিক ৯ শতাংশ৷ তবে, ওই সময় পুরো ইউরোপজুড়ে আশ্রয়প্রার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল৷

২০২৩ সালে জার্মানির মোট আশ্রয়প্রার্থীর মধ্যে ৭১ দশমিক ৭ শতাংশ হলেন পুরুষ৷ তবে ২০১৮ ও ২০১৯ সালের আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে নারী-পুরুষের অনুপাত ভারসাম্যপূর্ণ ছিল৷

জার্মান সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন রিসার্চের অভিবাসন বিশেষজ্ঞ মার্কুস এঙ্গলারের মতে, এই তারতম্যের একক কোনো কারণ নেই৷ এঙ্গলার ডিপিএকে বলেছেন, ‘‘দীর্ঘ এবং বিপজ্জনক অভিবাসন পথই লিঙ্গ ভারসাম্যহীনতার প্রকৃত কারণ৷’’

এঙ্গলারে মতে, তুরস্ক এবং গ্রিসের কঠোর সীমান্ত নীতি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিপীড়নমূলক শাসন এবং নিপীড়ন থেকে পালানোর কাজটিকে আরো বিপজ্জনক এবং ব্যয়বহুল করে তুলেছে৷ ফলে, আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা বাড়ছে৷

বিএএমএফ-এর তথ্য অনুযায়ী, আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে বয়স বা লিঙ্গের বিষয়টি তাদের নিজ দেশের কারণেও প্রাভাবিত হয়৷ ২০০০ সাল থেকে আফগানিস্তান এবং সিরিয়া ছেড়ে জার্মানিতে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা আবারো বেড়েছে৷

এই দেশগুলো থেকে পালিয়ে আসা আশ্রয়প্রার্থীরা শুরুতে একা আসেন৷ তারপর নিজের একটা ব্যবস্থা হলে পরিবারকে আনার চেষ্টা করেন৷

অন্যদিকে, ইরাকের ইয়াজিদিদের মধ্যে সবাই মিলে দেশ ছাড়ার প্রবণতা দেখা যায়৷ আবার ইউক্রেনীয়দের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যাবে, ইউরোপে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি৷ কারণ, পুরুষেরা রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চান৷

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

ভ্রমন সম্পর্কিত সকল নিউজ এবং সব ধরনের তথ্য সবার আগে পেতে, আমাদের সাথে থাকুন এবং আমাদেরকে ফলো করে রাখুন।

Like Us On Facebook

Facebook Pagelike Widget
© All rights reserved © 2020 cholojaai.net
Theme Customized By ThemesBazar.Com