ছুটি কাটানোর সেরা ঠিকানা

আমাদের মন সারাক্ষণই বেড়ানোর জন্য উৎসুক হয়ে থাকে। কখনো কখনো জীবনের চাপ থেকে অল্প রেহাই পেতে আমাদের ইচ্ছে করে কাছাকাছি কোথাও থেকে ঘুরে আসতে।

আমাদের মন সারাক্ষণই বেড়ানোর জন্য উৎসুক হয়ে থাকে। কখনো কখনো জীবনের চাপ থেকে অল্প রেহাই পেতে আমাদের ইচ্ছে করে কাছাকাছি কোথাও থেকে ঘুরে আসতে। আসলে অনেক সময় টানা লাখ লম্বা ছুটি পাওয়া একটু অসুবিধা হয়। এইজন্য সবাই কাছাকাছির মধ্যে ঘুরে আসার মতো জায়গা খুঁজে বেড়ান।

Mousuni Island

এমনই একটি জায়গা হল মৌসুনী দ্বীপ (Mousuni Island) ।এখানে তিনদিকে চেনাই নদী আর একদিকে সমুদ্র রয়েছে। এই জায়গায় আসল মজা হল টেন্ট বা তাঁবুতে থাকা। এখানে বিভিন্ন রিসর্টে টেন্টে থাকার সুবিধা রয়েছে। নির্জন সমুদ্রসৈকত আর তাঁবুতে থাকা মিলিয়ে একটা দারুণ উপভোগ্য ব্যাপার।

কলকাতা থেকে দূরত্ব ১১০ কিমি
কাছাকাছি স্টেশন নামখানা
খরচ ৯০০-১৫০০ টাকা মাথাপিছু

এখানে যাওয়ার জন্য নামখানা থেকে ম্যাজিক ভ্যান ও ট্রেকার ধরে চেনাই নদীর কাছে যেতে হবে। দুর্গাপুর বাগডাঙা, হুজ্জুতি বা পাতিবুনিয়া ঘাটের যে কোনো ঘাটে আপনি নদী পার হতে পারেন। নদী পেরনোর পরই আপনি রিসর্ট পৌঁছে যাবেন। রিসর্টে নিজের পছন্দ ও বাজেট অনুযায়ী আপনি তাঁবু বা কটেজ ভাড়া নিতে পারেন। এখানে দামের সঙ্গে চারবেলা খাবারের দাম ধরা হয়েছে।

Mousuni Island

এমনই একটি জায়গা হল মৌসুনী দ্বীপ (Mousuni Island) ।এখানে তিনদিকে চেনাই নদী আর একদিকে সমুদ্র রয়েছে। এই জায়গায় আসল মজা হল টেন্ট বা তাঁবুতে থাকা। এখানে বিভিন্ন রিসর্টে টেন্টে থাকার সুবিধা রয়েছে। নির্জন সমুদ্রসৈকত আর তাঁবুতে থাকা মিলিয়ে একটা দারুণ উপভোগ্য ব্যাপার।

কলকাতা থেকে দূরত্ব ১১০ কিমি
কাছাকাছি স্টেশন নামখানা
খরচ ৯০০-১৫০০ টাকা মাথাপিছু

এখানে যাওয়ার জন্য নামখানা থেকে ম্যাজিক ভ্যান ও ট্রেকার ধরে চেনাই নদীর কাছে যেতে হবে। দুর্গাপুর বাগডাঙা, হুজ্জুতি বা পাতিবুনিয়া ঘাটের যে কোনো ঘাটে আপনি নদী পার হতে পারেন। নদী পেরনোর পরই আপনি রিসর্ট পৌঁছে যাবেন। রিসর্টে নিজের পছন্দ ও বাজেট অনুযায়ী আপনি তাঁবু বা কটেজ ভাড়া নিতে পারেন। এখানে দামের সঙ্গে চারবেলা খাবারের দাম ধরা হয়েছে।

Mousuni Island

এখানে নির্জনতা ছাড়াও উপরি হিসেবে পাওয়া যাবে স্থানীয় মানুষের সহৃদয় ব্যবহার। আয়োজন অনেক সময় সামান্য হলেও তাঁদের আআন্তরিকতা আর আতিথেয়তা অনেক অসাধারণ মুহূর্ত তৈরি করবে যা অনেক দিন মনে থেকে যাবে। এইরকম একটি দারুণ পরিবেশ থেকে ঘুরে এলে মন আবার যেন জীবনের তেল নুন লকড়ির লড়াই লড়ার রসদ পেয়ে যাবে বেশ খানিকটা।

এখানে নির্জনতা ছাড়াও উপরি হিসেবে পাওয়া যাবে স্থানীয় মানুষের সহৃদয় ব্যবহার। আয়োজন অনেক সময় সামান্য হলেও তাঁদের আআন্তরিকতা আর আতিথেয়তা অনেক অসাধারণ মুহূর্ত তৈরি করবে যা অনেক দিন মনে থেকে যাবে। এইরকম একটি দারুণ পরিবেশ থেকে ঘুরে এলে মন আবার যেন জীবনের তেল নুন লকড়ির লড়াই লড়ার রসদ পেয়ে যাবে বেশ খানিকটা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: