ঘুরে আসুন লাটভিয়া

বাল্টিক দেশ হিসেবে প্রসিদ্ধ লাটভিয়া বিশ্বের অন্যতম পর্যটনসমৃদ্ধ দেশ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যবেষ্টিত দেশ লাটভিয়ায় রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান। আজ আপনাদের জানাবো লাটভিয়ার সেরা ৮ দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে। আসুন জানা যাক-

১. রিগা

বাল্টিক দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ মেট্রোপলিটন নগরী হিসেবে রিগা আপনাকে কাছে টানবে। এই শহরে অসংখ্য গথিক খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের গীর্জা রয়েছে। এসব গীর্জায় সব বয়সের পর্যটক ভ্রমণ করে থাকেন। এছাড়া মহিলা ও শিশুদের রিগার স্থানীয় মার্কেটে বেশি দেখা যায়।

২. গওজা ন্যাশনাল পার্ক

নিসর্গপ্রেমী মানুষ এই পার্কে ভ্রমণ করেন। গওজা নদীর তীরে এই পার্ক রয়েছে। স্বচ্ছ পানির নদী সহজেই উদ্বিগ্নতা দূর করে দেয়। এছাড়া এখানে একাধিক পাহাড় রয়েছে। রয়েছে বিনোদনের আরও অনেক ব্যবস্থা।

৩. কুলদিগা

কুলদিগা ছোট একটি শহর। এখানে ইউরোপের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন জলপ্রপাত রয়েছে। জলপ্রপাতটি মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু দখল করে আছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চল অনেক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিলো।

৪. ক্যাপে কলকা

লাটভিয়ার উত্তর-পূর্বে রয়েছে স্লিটারে ন্যাশনাল পার্ক। এখানে ক্যাপে কলকা নামে একটি অঞ্চল রয়েছে। ক্যাপে কলকা বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার জন্য বিখ্যাত। সোভিয়েত শাসনাধীন থাকার সময় এই অঞ্চল সামরিক বাহিনীর কাজে ব্যবহৃত হতো। মানুষের কাছে এই অঞ্চল প্রিয় একটি জায়গা।

৫. কেসিস

লাটভিয়ার অন্যতম পুরনো শহর কেসিস। এটি ভিডজেমে আপল্যান্ডে অবস্থিত। এখানে রয়েছে ত্রয়োদশ শতাব্দিতে নির্মিত মূল কেসিস দুর্গ এবং অষ্টাদশ শতাব্দিতে নির্মিত নিউ কেসিস দুর্গ। এছাড়া রয়েছে কেসিস মিউজিয়াম। পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত পছন্দের জায়গা এটি।

৬. রুন্ডালে প্যালেস

অভিজাত ভবন রুন্ডালে প্যালেস নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের অধিকারী। অষ্টাদশ শতাব্দিতে কোর্ল্যান্ডের ডিউকরা এটি নির্মাণ করেন। এই ভবনের নকশা আঁকার জন্য জার্মানি ও ইতালি থেকে ভাস্কর ও চিত্রকরদের নিয়ে আসা হয়েছিলো।

৭. ভেন্টসপিলস

বাল্টিক সমুদ্রের পাশে অবস্থিত ভেন্টসপিলস ইউরোপের ব্যস্ততম বন্দর হিসেবে পরিচিত। বন্দরটি ভেন্টসপিলস শহরের ব্যবসায়-বাণিজ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এই বন্দরে রয়েছে একটি মিউজিয়াম।

৮. জুর্মালা

পর্যটকদের লাটভিয়া ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত জায়গা জর্মুলা। এখানে পর্যটকরা আসেন বিনোদনের খোঁজে। এখানেই রয়েছে লাটভিয়ার সবচেয়ে বড় রিসোর্ট। জর্মুলা উত্তর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সমুদ্রসৈকত হিসেবে পরিচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: